উচ্ছেদ হয়ে গেল শেষ ছয় মারমা পরিবার (প্রকাশকালঃআগস্ট ০৯, ২০১৮)

  • বান্দরবানের সায়িঙ্গা মারমা পাড়ায় একসময় ৪২টি পরিবারের বসবাস ছিল। ভূমিদস্যুদের হুমকির মুখে গত বছরের মাঝমাঝি পর্যন্ত পাড়াটির ছয়টি পরিবার টিকে থাকলেও এ বছরের জানুয়ারি মাসে শেষ পরিবারটিও ভিটে-মাটি ছেড়ে চলে গেছে।

  • সরকারের বরাদ্দ দেওয়া জুম চাষের জমির ওপর ভূমিদস্যু প্রভাবশালীদের নজর পড়ায় উচ্ছেদ হওয়া পাড়াটির পাশের সায়িঙ্গা ত্রিপুরা পাড়ার ২২টি পরিবারকেও এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

  • মারমা পাড়াটির ১০০ একর জুম চাষের জমি দখলের বিরুদ্ধে হেডম্যান প্রতিবাদ করতেই বান্দরবান থানায় তাদের নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তার সঙ্গে তার ছেলেকে আটক করে নিয়ে যায়।

  • পার্বত্য চট্টগ্রাম বন ও ভূমি অধিকার সংরক্ষণ আন্দোলনের বান্দরবান চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট জুমলিয়ান আমলাই বলেন, ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হওয়ার পর এখন পর্যন্ত বান্দরবান জেলায় ১৮০টি পাহাড়ি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাঙালি সেটেলার ও বেসরকারি রাবার বাগান মালিকরা এই উচ্ছেদের সঙ্গে জড়িত।

দখলতন্ত্রের কারণেই ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ দেশান্তরী হচ্ছে-(প্রকাশকালঃ০৮ আগস্ট ২০১৮)

  • বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘আদিবাসীসহ প্রান্তিক মানুষের ভূমি থেকে উচ্ছেদ এবং তাদের মানবাধিকার’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

  • সেমিনারে মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেন, দখলতন্ত্রের কারণেই দেশের ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ দেশান্তরী হচ্ছে। এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ একটি বিলীয়মাণ জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে।

  • তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রীয় উপেক্ষার কারণে দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ নানা প্রান্তিক গোষ্ঠীর মানুষ পীড়নের শিকার হচ্ছে।

  • অনুষ্ঠানে চাকমা রানি ইয়েন ইয়েন বলেন, উন্নয়ন, বনায়ন, পর্যটন ইত্যাদি নানা নামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়। তারা দেশ ছাড়ে কারণ তাদের বাধ্য করা হয়।

সুন্দরবনে শিল্পায়ন বন্দের তাগিদ জাতিসংঘ কমিশনের
(প্রকাশকালঃআগস্ট ০১, ২০১৮)
  • ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের আপত্তি থাকার পরও বাংলাদেশ সুন্দরবন এলাকায় ৩২০টির বেশি শিল্পায়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। যার মধ্যে রয়েছে বৃহদায়তনের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

  • জাতিসংঘের মানবাধিকার ও পরিবেশবিষয়ক বিশেষ দূত জন এইচ নক্স দাবি করেছেন, সুন্দরবনে দ্রুত গতির শিল্পায়ন লাখ লাখ মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং হুমকির মুখে পড়েছে সেখানকার বাস্তুসংস্থান প্রক্রিয়া ও বিপন্ন প্রাণীপ্রজাতি।

  • নক্স বলেন,’সত্যিকারের টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশের সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। আর তা নিশ্চিত করার জন্য পরিবেশসংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি করতে হবে। সেই সাথে প্রস্তাবিত শিল্পায়ন প্রকল্পের জন্য যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের কথা সরকারকে অবশ্যই শুনতে হবে।’

  • ‘যারা উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাদের প্রায়ই উপেক্ষা করা হয় বা রাষ্ট্রের শত্রু বলে গণ্য করা হয়। কিন্তু আসলে তাদের টেকসই উন্নয়নের বীর সেনানী বলে বিবেচনা করা দরকার।’- বলে নক্স দাবি করেন।

গরিবের ভিটায় বিদ্যুতকেন্দ্র
(প্রকাশকালঃ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
  • বরগুনার তালতলীর ছোট নিশানবাড়িয়ার অংকুজান গ্রামের ৪৫০ পরিবারের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। কারণ ওই গ্রামের ভূমিহীনদের ৩১০ একর জমির উপর আইসোটেক ইলেক্ট্রিফিকেশন কোম্পানি’র ৩০৭ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে।
  • তবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণের জন্য এখনো পরিবেশ অধিদপ্তরের চূড়ান্ত অনুমতি বা পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা (ইআইএ) না নিয়েই আইসোটেক মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেছে।
  • এছাড়া গত ২৯ মে হাইকোর্ট অংকুজান গ্রামে সরকারী খাসজমিতে ৩০৭ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের স্থগিতাদেশ দিলেও সম্প্রতি ১৪ টি মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের জায়গা ভরাট করা হচ্ছে।
  • হতদরিদ্র মানুষদের জমি কেড়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ জানালে গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে প্রকল্পের প্রকৌশলী মো.মুরাদ বাদী হয়ে গত ১৮ জুলাই ছয়জনকে আসামী করে ৩০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা করেন।

Bangladesh Delta Plan 2100: Not the most practical proposal
(Published on:April 21, 2016)

  • Recently, a large consortium, led by the consultancy firm Twynstra Gudde, has signed a contract for the development of the Delta Plan for Bangladesh 2100 (BDP2100), which is designed to formulate a long-term (50 to 100 years) delta governance.
  • According to reports, a total of eight out of ten consultancy firms are from outside Bangladesh. This plan will put the management of land, water, and environment of the country in the hand of foreign agencies.Besides,such a monumental project has not been much discussed in public domain.
  • A rise of sea level by 0.88 meters is likely to topple the existing polders. The proponents suggest a rise of polder height by one metre. However, a study by Gardiner (2014) projected a four metre rise in sea level in the next few decades will inundate about 40 percent of the land, including the polders, and will displace 50 million people.
  • The writer proposes that the country needs to work on achieving water sharing agreements for all transboundary rivers with all co-riparian nations in the GBM basins before adopting an ambitious plan like BDP2100।
তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিক্ষোভ
(প্রকাশকালঃ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮)

hdr

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে সুপেয় পানির খাল ভরাট, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ১২ কিলোমিটারের মধ্যে পুনরায় জমি অধিগ্রহণ না করার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ও চম্পাপুর ইউনিয়নের হাজারো কৃষক পরিবার।
  • কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য এলাকার প্রায় তিন হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেনা কল্যাণ সংস্থা চারটি গ্রামের মোট এক হাজার একর ভূমির সীমানা নির্ধারণ করে অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছে।
  • জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতিমালা-২০০১ ও কৃষি জমি সুরক্ষা আইন-২০১৫’ তে স্পষ্টত দুই বা তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ করা যাবে না বলা থাকলেও ওই সংস্থাটি এলাকার দুই ও তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ করে এলাকার কৃষকদের পঙ্গু করে দিচ্ছে।
উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানীয়দের বঞ্চিত করায় নৌমন্ত্রীর সামনে সিরাজুল মোস্তফার ক্ষোভ
(প্রকাশকালঃ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
  • মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ কক্সবাজারে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে স্থানীয় লোকজনকে বঞ্চিত করায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা।
  • সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নের কারণে জমি হারানোর পাশাপাশি বেকার হয়ে পড়েছে হাজার হাজার শ্রমিক। কিন্তু সেখানে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন স্তরে ব্যবসা করছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের লোকজন। স্থানীয়দের সেখানে সুযোগ চাইলে দেয়া হচ্ছে না। সেখানে হাজার হাজার শ্রমিককে কাজ করানো হলেও স্থানীয় শ্রমিকদের কাজের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।’
৫১ বছরে পদ্মায় বিলীন ৬৬০ বর্গ কিলোমিটার ভূমিঃ নাসার প্রতিবেদন
(প্রকাশকালঃ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮)

  • পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে ১৯৬৭ সাল থেকে প্রায় ২৫৬ বর্গমাইল বা ৬৬০ বর্গ  কিলোমিটারের বেশি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যা ঢাকা শহরের আয়তনের প্রায় আড়াই গুনের সমান।
  • গবেষকেরা বহু বছর ধরে নদীর ‘টুয়িস্ট এন্ড জিগজ্যাক’ স্যাটেলাইট ছবি পর্যবেক্ষণ করে জানাচ্ছেন যে, গত তিন দশক ধরে পদ্মা নদী তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ, সোজাসোজি অবস্থান পরিবর্তন করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আঁকাবাঁকা হয়ে গেছে।
  • প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ভাংগনের শিকার হয়েছে হরিরামপুর উপজেলার নিকটবর্তী এলাকাগুলো। ১৯৯৮ সালে ভারতে ফারাক্কা বাঁধ উদ্বোধনের মাধ্যমে যে বন্যা দেখা দেয়, তার মাধ্যমে দেশে আরও বেশি পানি ঢুকে পড়ে।
  • এছাড়াও প্রতিবেদনে, পদ্মা সেতু নির্মাণে নদীর ভাঙ্গন কিছু হুমকি সৃষ্টি করতে পারে এমন উদ্বেগের কথা রয়েছে। যদিও কিছু গবেষকেরা আশা করেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে জমি প্রকৃতপক্ষে স্থির হতে পারে এবং এটি শেষ হওয়ার পর নদী ভাঙ্গন হ্রাস পেতে পারে।

ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তরে কূটনৈতিক ঝুঁকি
(প্রকাশকালঃ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮)

  • প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ প্রায় এক লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে ‘ভাসানচর’ নামক দ্বীপে স্থানান্তর শুরু করবে। নৌবাহিনীর দায়িত্বে প্রায় দেড় হাজার একর জমিতে শতাধিক গুচ্ছগ্রামে প্রায় দেড় হাজার ঘর রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রমতে, শীতের শুরুতে এবং নির্বাচনের আগেই সরকার এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করতে ইচ্ছুক।
  • রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়ন, রোহিঙ্গারা যেন ক্রমে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যেতে না পারে এবং তাদের ঘিরে যেন কোন সশস্ত্র কার্যক্রম গড়ে না উঠে সেজন্য তাদের যথাযথ নজরদারির আওতায় আনার জন্য সরকার এই স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
  • তবে মানবাধিকার সংস্থার দাবি, ভাসানচরে বন্যার ঝুঁকি প্রবল। এর ভূমি কাঠামো মানববসতির জন্য কতটা উপযোগী তা প্রশ্নসাপেক্ষ।
  • ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ‘উন্নত’ ও স্থায়ী পরিসরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা মাত্রই মিয়ানমার তাদের নাগরিকদের গ্রহণ এবং পুনর্বাসনে নিশ্চিতভাবে নিরুৎসাহিত হবে এবং ‘রোহিঙ্গারা বাংলাদেশেরই নাগরিক’- মিয়ানমারের এই প্রচারণাকে শক্তি জোগাবে।
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ এলাকা ভাসানচরে যাতায়াত দুর্বোধ্য হয়ে গেলে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক সাহায্যকারী সংস্থাগুলো তাদের কার্যক্রম থেকে ক্রমে সরে আসারও ঝুঁকি রয়েছে।
  • স্থানান্তর নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ অগ্রাহ্য হলে ভবিষ্যতে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জীবনযাপনের যেকোন বিপর্যয়ের দায়ভার পুরোপুরি বাংলাদেশের ওপরই বর্তাবে।
  • ভাসানচরে বর্তমানে যে নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, সেটা ক্রমে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যয়েও চাপ বাড়াবে। এছাড়াও ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের যদি পাশের জলরাশিতে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে তাদের ওপর নজরদারিও দুরূহ হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে মানব পাচার আরও বেড়ে যেতে পারে।
  • স্থানান্তর নিয়ে রোহিঙ্গাদের সাথে বাংলাদেশ সরকারের মতদ্বৈধতা তৈরী হলে তা বড় ধরণের নিরাপত্তা-উদ্বেগ তৈরী করতে পারে।
মহেশখালীতে বেজার অধিগ্রহণের টাকা না পেয়ে স্ট্রোকে মারা গেলেন নুরুল ইসলাম!
(প্রকাশকালঃ১৬ সেপ্টেম্বর)
  • বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কতৃপক্ষ (বেজা) কর্তৃক কক্সবাজারের মহেশখালীর ধলঘাটা ইউনিয়নের ১৪৭ কোটি টাকা জমি অধিগ্রহন করেন। অধিগ্রহণের পর গত ১২ জুলাই থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের মধ্যে চেক বিতরণ শুরু  করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত আনুমানিক দেড় কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মানুষ বুঝে পেয়েছে তাও দালালের মাধ্যমে।
  • বাকী টাকা ভূমি বিবিধ মামলা, অভিযোগ, আবার বিএস মূলে নোটিস দেওয়া সত্ত্বেও ডিআরআর সহ আরো নানা ধরনের সমস্যা দেখিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা টাকা প্রদান করতে অপারগতা দেখাচ্ছে।
  • ফলে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক। অনেকেই এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েছে, যার বাস্তব প্রমাণ বর্তমান ধলঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হাসানের  চাচা নুরুল ইসলাম।
গ্যাস সংযোগ চায় মহেশখালীর মানুষ
(প্রকাশকালঃ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬)
  • মহেশখালীর পশ্চিম উপকূল থেকে সাড়ে সাত কি.মি. দূরে গভীর সমুদ্রে যে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে তার মাধ্যমে প্রতিদিন ৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি মূল গ্রিডে দেওয়া হচ্ছে। তবে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মূল গ্রিডে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।
  • এই গ্যাস লাইনের স্টেশন ও পাইপ স্থাপন করতে গিয়ে বিপুল ক্ষতি হয়েছে মহেশখালীর মানুষের। ছাড়তে হয়েছে জমি, ঘরবাড়ি, পানের বরজ, ধানক্ষেতসহ নানা স্থাপনা। এতে অনেক মানুষ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, জমি অধিগ্রহণ ও স্থাপানাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা।
  • তারপরও দেশের বৃহত্তর উন্নয়নের স্বার্থে মহেশখালীর মানুষ নিজেদের ক্ষতি মেনে নিয়েছেন। তবে এত ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার করেও মহেশখালীর মানুষ গ্যাস পাচ্ছে না। ভবিষ্যতেও পাবে এমন কোনো সংকেত নেই। তাই স্থানীয় জনগণ থেকে শুরু করে প্রশাসনের সকলেই মহেশখালীতে গ্যাস সংযোগ দেয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
মাতারবাড়িতে বিভিন্ন অনিয়ম সরেজমিন দেখতে জাইকার প্রতিনিধি দল
(প্রকাশকালঃ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
  • মাতারবাড়ির কয়লা বিদ্যূৎ কেন্দ্রের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় স্থানীয় মানুষের কষ্ট সরেজমিন দেখতে জাইকার পরিচালক (বাংলাদেশ) তাকাশিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাতারবাড়ি পরিদর্শন করেন ও ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠীর সাথে কথা বলেন।
  • কয়লা বিদ্যুত প্রকল্পের মাটি ভরাটের কারণে ৮ টি সুইচ গেটসহ প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের সবগুলো পথ বন্ধ হওয়ায় এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে একপ্রকার মানবসৃষ্ট দূর্যোগের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে মাতারবাড়ির কয়েকহাজার মানুষ। জলাবদ্ধতা এতটা প্রকোপ ছিল যে গত ৪ মাসে ২ শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়, ছাত্রছাত্রীদের বহনকারী নৌকা ডুবিতে ৬ জন আহত হয়। ৩ শতাধিক পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করতে বাধ্য হয়।
  • জাইকার প্রতিনিধিদের কাছে স্থানীয় জনগণ যে লিখিত দাবিনামা পেশ করেন, সেখানে জরুরী ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধান, জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের ক্ষতিপূরণ ও সাহায্য প্রদান, উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় বেকারদের জন্য দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি প্রকল্পের গাড়ী চলাচলের জন্য আলাদা রাস্তা করাসহ বেশ কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়।
মাতারবাড়িতে জলাবদ্ধতা নিরসনে জাইকার আশ্বাস
(প্রকাশকালঃসেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮)
  • মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে জলাবদ্ধতা নিরসন ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন জাইকার প্রতিনিধি দল। গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
  • উল্লেখ্য, মাতারবাড়ি ইউনিয়নে ২টি তাপভিত্তিক কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপিত হচ্ছে। কয়লা বিদ্যুৎ কৃর্তপক্ষ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মাতারবাড়ির বিভিন্ন সুইচ গেইট বন্ধ করে দিয়ে জাইকা কাজ করায় গত কয়েক বছর ধরে পুরো মাতারবাড়ি বর্ষায় বাড়ি-ঘর পানিতে ডুবে থাকে। এতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।
মহেশখালীতে নজর জাপানের
(প্রকাশকালঃ ১৩ আগস্ট ২০১৮)
  • নারায়াণগঞ্জের পর মহেশখালীতে দ্বিতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে জাপান  বেজার নিকট প্রায় এক হাজার একরের মত জমি চেয়েছে। মহেশখালী নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জাইকা যে মহাপরিকল্পনা করেছে, তাতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আছে।
  • জাপানের পাশাপাশি চীনও তাদের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায়। আর ভারত ১ হাজার ৬২৪ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠা করবে তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল।
  • মহেশখালী ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কেন্দ্রে চলে আসছে বিধায় সেখানে জাপানের উপস্থিতি লক্ষণীয়। জাইকার অর্থায়নে মহেশখালীতে একাধিক বিদ্যুতকেন্দ্র ও কয়লা খালাসের জন্য বন্দর নির্মাণের কাজ চলছে।
  • মূলত, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে এ দেশে জাপানি ব্যবসায়ীদের জন্য একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। তারই সূত্রধরে, গত বছরের মে মাসে জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের সঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় সমঝোতা স্মারক সই করে বেজা।
তাপবিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণের নামে জমি দখলের প্রতিবাদ
(প্রকাশকালঃ ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
  • বরগুনার তালতলীতে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের নামে জোরপূর্বক জমি দখল, বাড়িঘর উচ্ছেদ, জাল দলিল ও সরকারি খাস জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভূমিহীন পরিবারের সদস্যরা।
  • সোমবার বরগুনা প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের খোট্টার চর এলাকার তিন শতাধিক ভুক্তভোগী ভূমিহীন পরিবারের সদস্যরা।

  • ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তারা বলেন, বরগুনার তালতলী উপজেলার খোট্টার চর এলাকায় চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৫০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করেছে আইএসওটেক ইলেকট্রিফিকেশন লিমিটেড ও বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি। এ লক্ষ্যে নির্মাণাধীন এলাকায় জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্র ব্যক্তিমালিকানা জমির পাশাপাশি ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ভূমিহীনদের নামে দেওয়া বন্দোবস্তকৃত কৃষি খাস জমিসহ সরকারি সম্পত্তি নামে-বেনামে দখল করে নিচ্ছে।
আগামী বছর উৎপাদনে যাবে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
(প্রকাশকালঃ সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮)
  • ২০১৯ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারবে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজ সন্তোষজনক পর্যায়ে ও শেষদিকে রয়েছে উল্লেখ করে বিষয়টি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভায় অবহিত করা হয়।
  • উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভারতের সঙ্গে রামপালে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়। সেখানে অবকাঠামোসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাজ প্রায় শেষের পথে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উত্তরাংশে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা তোলার সম্ভাব্যতা যাচাই হবে
(প্রকাশকালঃ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮)

  • বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় ২০২১ সাল পর্যন্ত ৩.২০৫ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলন সম্ভব হবে। এরপর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উত্তর অংশে দেড় বর্গকিলোমিটার এবং দক্ষিণে ৩ বর্গকিলোমিটার মজুত এলাকা থেকে কয়লা উত্তোলনের মাধ্যমে চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
  • জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি উন্নয়নের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে গত ১৯ জুলাই পর্যন্ত উৎপাদন থেকে বিক্রয় ও ব্যবহার শেষে মজুতের পরিমাণ রেকর্ড ছিল ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪৪ টন। কিন্তু কোল ইয়ার্ডে বাস্তব মজুত পাওয়া যায় ৩ হাজার টন। অর্থ্যাৎ রেকর্ডের চেয়ে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৪ টন কম ছিল, যা মোট উৎপাদনের ১ দশমিক ৪২ শতাংশ।
  • সমীক্ষা প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, বড়পুকুরিয়া সেন্ট্রাল এলাকাবহির্ভূত উত্তরাংশে দেড় কিলোমিটার এলাকায় ভূগর্ভস্থ রুম এন্ড পিলার মাইনিং পদ্ধতি অবলম্বনে প্রায় ৯২ মিলিয়ন টন ভূতাত্ত্বিক মজুতরত কয়লার মধ্যে মাত্র ৩ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলন করা সম্ভব। সেন্ট্রাল মাইনিং এলাকার দক্ষিণাংশে আন্ডার গ্রাউন্ড লংওয়াল মাইনিং পদ্ধতি অবলম্বনে ভূতাত্ত্বিকভাবে মজুতরত ৬২ মিলিয়ন টন কয়লার মধ্যে প্রায় ১০ দশমিক টন কয়লা উত্তোলন সম্ভব হবে। এছাড়া বড়পুকুরিয়ার সেন্ট্রাল মাইনিং এলাকাবহির্ভূত উওরাংশে ওপেন পিট মাইনিং পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • সংসদীয় বৈঠকের সভাপতি তাজুল ইসলাম বলেন, বড়পুকুরিয়ায় ৩৯০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুত আছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে ১০ মিলিয়ন টন কয়লা তোলা যাবে। আর উন্মুক্ত পদ্ধতিতে খনন করা হলে ২৩৬ মিলিয়ন টন কয়লা তোলা যাবে। তবে সেক্ষেত্রে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যগত প্রভাবের বিষয়টি দেখতে হবে।  
UN launches environmental project for Rohingyas and Bangladeshis
(Published on: September 23rd, 2018)
  • Families living in the world’s largest refugee camp, received the first 2,500 stoves and LPG cylinders that are part of United Nations project aimed at protecting the environment and building the resilience of people living in Cox’s Bazar.
  • The UN project, SAFE Plus aims to eventually provide 125,000 host community and refugee families with LPG stoves to prevent further deforestation caused by the need of firewood for cooking.
  • When some 700,000 Rohingya refugees fled to Cox’s Bazar, much of the area’s protected forest was cut down for fuel and shelter, dramatically increasing the risk of flooding and landslides due to soil erosion.
  • The new LPG stoves will allow families to cook safely without needing to gather firewood from dwindling forests. They will also improve the safety of women and children, who risk gender-based violence and animal attacks when they go to collect wood. Additionally, the stoves should also reduce health risks caused by smoke inhalation from open fires.